বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেল এর ৫৮তম জন্মদিন ও শেখ রাসেল দিবস উপলক্ষে জালালাবাদ গ্যাস অফিসের উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করা হয়েছে। কর্মসূচীতে গ্যাস অফিসের সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ গ্রহণ করেন।
এবারের প্রতিপাদ্য ছিলো। “শেখ রাসেল নির্মলতার প্রতীক, দুরন্ত প্রাণবন্ত নির্ভীক” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচী মধ্যে ছিলো সকাল সাড়ে ৮টায় সিলেট জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের প্রাঙ্গনে স্থাপিত শেখ রাসেল মঞ্চে পুস্পস্তবক অর্পন করা। পরে “শেখ রাসেল দিবস-২০২২” উপলক্ষ্যে আয়োজিত বর্ণাঢ্য র্যালীতে অংশগ্রহণ করে জেলা শিশু একাডেমী অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত আলাচনা সভায় যোগদান।
বেলা সাড়ে ১০টায় জালালাবাদ গ্যাস বিদ্যানিকেতন এর সকল ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত চিত্রাংকন, রচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরুস্কার বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
স্কুল ম্যানেজিং কমিটি সদস্য বদরুল হক এর সভাপতিত্বে ও জালালাবাদ গ্যাস বিদ্যানিকেতন সহকারী শিক্ষক মো. আতিকুর রহমান এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির মহাব্যবস্থাপক (বিপণন-দক্ষিণ) প্রকৌ. মনজুর আহমদ চৌধুরী। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, আজ শেখ রাসেল বেঁচে থাকলে বঙ্গবন্ধুর মতোই বাঙালির ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করতেন, শিশু বয়সে তার ব্যক্তিত্বের মাধ্যমেই তার প্রকাশ করেছিলেন। রাসেলের মধ্যে খুব ছোট বেলাতেই দেখ গিয়েছিল বঙ্গবন্ধুর মতোই মানবিক বোধ। বিশ্বের শোষিত মানুষের নেতা হতেন। তিনি বেঁচে থাকলে তার কর্মের দ্বারা বাঙালি জাতির ইতিহাসে উজ্জল অবদান রাখতেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির মহাব্যবস্থাপক (বিপণন-উত্তর) প্রকৌ. এ বি এম শরীফ, এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শ্রমিক লীগ-২৫২০ (সিবিএ) এর সাধারণ সম্পাদক আব্দুস ছালাম।
অনুষ্ঠানে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন জালালাবাদ গ্যাস অফিসের ব্যবস্থাপক তৌফিকুল আহসান চৌধুরী, জালালাবাদ গ্যাস বিদ্যানিকেতন এর সহকারী প্রধান শিক্ষক আতিয়া তুজ জোহরা। বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন জালালাবাদ গ্যাস কোয়ার্টার জামে মসজিদের পেশ ঈমাম মাওলানা মোহাম্মদ আবুল বশর। উল্লেখ্য, সরকারি নির্দেশনার আলোকে উপস্থিত সকলে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করেন।