পুণ্যভূমি ডেস্ক
অক্টোবর / ১৮ / ২০২২
সোমবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহন শেষে স্থানীয় ভাবে এসব ফলাফল ঘোষনা করেন সংশ্লিষ্ট প্রিজাইটিং কর্মকর্তারা।
১নং ওয়ার্ড
সিলেট জেলা পরিষদের নির্বাচনে ১নং ওয়ার্ডে সিলেট সিটি কর্পোরেশন ও সদর উপজেলা এলাকায় সদস্য পদে মাওলানা মো. মোছাদ্দিক আহমদ বিজয়ী হয়েছে।
২ নং ওয়ার্ড
সিলেট জেলা পরিষদ নির্বাচনে ২ নম্বর ওয়ার্ডে দক্ষিণ সুরমা উপজেলায় বেসরকারি ভাবে বিজয়ী হয়েছেন হাতি প্রতিকের মতিউর রহমান মতি। তিনি পেয়েছেন ৭০ ভোট। আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সৈয়দ মকবুল হোসেন টিউবওয়েল প্রতিকে পেয়েছেন ১০ ভোট।
৩নং ওয়ার্ড
সিলেট জেলা পরিষদের নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ডে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় সদস্য পদে নাহিদ হাসান চৌধুরী বেসরকারিভাবে বিজয়ী হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ৩৭টি ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন তিনি। নাহিদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শহিদুর রহমান রুমান (তালা মার্কা) পেয়েছেন ২৮টি ও আবুল আওয়াল কয়েস (হাতি মার্কা) পেয়েছেন ২৪টি ভোট।
৪ নং ওয়ার্ড
জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৪ নং ওয়ার্ডে বালাগঞ্জ উপজেলায় মো. নাসির উদ্দিন নির্বাচিত হয়েছেন।
৫নং ওয়ার্ড
সিলেট জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৫নং ওয়ার্ডে ওসমানীনগর উপজেলায় বিজয়ী হয়েছেন উপজেলা আওয়ামীলীগের মনোনীত সদস্য প্রার্থী আব্দুল হামিদ। তিনি অটোরিকশা (সিএনজি) প্রতীকে ৪১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটত প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পংকজ পুরকায়স্থ টিউবওয়েল প্রতীকে পেয়েছেন ৪০ ভোট।
৬ নং ওয়ার্ড
সিলেটের জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৬নং ওয়ার্ডে বিশ্বনাথ উপজেলায় জাপা সমর্থিত প্রার্থীকে বিপুল ভোটে হারিয়ে বিজয়ী হয়ে সদস্য হলেন অ্যাডভোকেট গিয়াস উদ্দিন আহমদ। বিজয়ী প্রার্থী বিশ্বনাথ উপজেলা আ’লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক।
তার প্রতিদ্বন্ধি ছিলেন প্রার্থী ছিলেন সিলেট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান ইয়াহ্ইয়া চৌধুরী এহিয়া’র ছোট ভাই জাপা নেতা সহল আল রাজি চৌধুরী।
৭ নং ওয়ার্ড
সিলেট জেলা পরিষদ নির্বাচন সাধারণ সদস্য পদে ৭নং ওয়ার্ড গোলাপগঞ্জ থেকে বৈদ্যুতিক পাখা প্রতীক নিয়ে ৬৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন পৌর এলাকার দাড়িপাতন গ্রামের মো. ফয়জুল ইসলাম ফয়ছল। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাদেপাশা ইউনিয়নের কেওটকোনা গ্রামের অ্যাডভোকেট এম. মুজিবুর রহমান মুজিব তালা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩১ ভোট। পশ্চিম আমুড়া ইউনিয়নের আমনিয়া গ্রামের মো. ফজলুর রহমান জসিম ঘুড়ি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৮ ভোট ও বাঘা ইউনিয়নের রুস্তমপুর গ্রামের স্যায়িদ আহমদ সুহেদ অটোরিক্সা প্রতীক নিয়ে ২৫ ভোট পেয়েছেন।
৮ নং ওয়ার্ড
সিলেট জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৮ নং ওয়ার্ডে বিয়ানীবাজার উপজেলায় খসরুল হক খসরু উট পাখি প্রতীকে ৪৭টি ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
৯ নং ওয়ার্ড
সিলেট জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৯ নং ওয়ার্ডে জৈন্তাপুর উপজেলায় শাহজাহান (টিউবওয়েল প্রতীক) নিয়ে ৫৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। এই ওয়ার্ডে বর্তমান সদস্য মুহিবুর হক মুহিব ও নুরুল আমীন পরাজিত হয়েছেন।
১০ নং ওয়ার্ড
সিলেট জেলা পরিষদ নির্বাচনে ১০ নং ওয়ার্ডে গোয়াইনঘাট উপজেলায় বেসরকারি ভাবে বিজয়ী হয়েছেন হাতি প্রতিকধারী সুবাস দাস। তার নিকটতম প্রতিদ্ধন্ধি ছিলেন ঘুড়ি প্রতিকধারী আলিম উদ্দিন।
ঘোষিত ফলাফলে জেলা পরিষদের সদস্য পদপ্রার্থী হাতি প্রতিকধারী সুবাস দাস পেয়েছেন ৬২, ঘুড়ি প্রতিকধারী আব্দুল আলীম উদ্দিন পেয়েছেন ২৪ ভোট, বৈদ্যুতিক পাখা প্রতিকধারী আব্দুল জলিল পেয়েছেন ৩ ভোট, টিউবওয়েল প্রতিকধারী ইনসাদ হোসেন রাজিব পেয়েছেন ৩ ভোট, তালা প্রতিকধারী ছয়ফুল আলম আবুল পেয়েছেন ২ ভোট।
১১নং ওয়ার্ড
সিলেট জেলা পরিষদ নির্বাচনে ১১নং ওয়ার্ডে কোম্পানীগঞ্জ এলাকায় সদস্য হিসেবে বিজয়ী হয়েছেন আপ্তাব আলী কালা মিয়া। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন শাহ মোহাম্মদ জামালউদ্দিন।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন ও গোয়াইনঘাট উপজেলার নন্দীরগাঁও, তোয়াকুল ও রুস্তমপুর ইউনিয়নের ১২০টি ভোটের মধ্যে ১১৮টি ভোট কাস্ট হয়। এর মধ্যে আপ্তাব আলী কালা মিয়া অটোরিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ৭২ ভোট এবং টিউবওয়েল প্রতীকে ৪৬ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন শাহ মোহাম্মদ জামালউদ্দিন। আর বৈদ্যুতিক পাখা নিয়ে মো. শামসুউদ্দীন কোনো ভোট পাননি।
১২ নং ওয়ার্ড
সিলেট জেলা পরিষদ নির্বাচনে ১২ নং ওয়ার্ডে সদস্য পদে সবোর্চ্চ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন মস্তাক আহমদ পলাশ। ১২০টি ভোটের মধ্যে তিনি সবোর্চ্চ ৯১টি ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক সদস্য ইমাম উদ্দিন ২৪টি ভোট পেয়েছেন।
অপর প্রার্থী ফখরুল ইসলাম ফ্যান প্রতীকে ১টি আর এহসানুল হক জসিম হাতি প্রতীক নিয়ে ২ টি ভোট পেয়েছেন।
১৩ নং ওয়ার্ড
ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে সিলেট জেলা পরিষদ নির্বাচনের ১৩ নং ওয়ার্ডে (জকিগঞ্জে) ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। ভোট গণনা শেষে সাড়ে ৩টার দিকে ফলাফল ঘোষণা করেন রির্টানিং কর্মকর্তা বিনয় ভূষণ দাস। বেসরকারি ফলাফলে ইফজাল আহমদ চৌধুরী (টিউবওয়েল) প্রতীকে ৬৫ ভোট পেয়ে সদস্য পদে নির্বাচিত হন।
তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সিলেট জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শামিম আহমদ (বৈদ্যুতিক পাখায়) পেয়েছেন ৪৯ ভোট। উপজেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রহমান (তালা) প্রতীকে পেয়েছেন ৩ ভোট। নির্বাচনে ১২০ জন ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ১১৮ জন।
সংরক্ষিত ১ নং ওয়ার্ড
সিলেট জেলা পরিষদ নির্বাচনে সংরক্ষিত ১ নং ওয়ার্ডে বিপুল সংখ্যক ভোটের ব্যবধানে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন নারীনেত্রী এ জেড রওশন জেবিন রুবা। সিলেট সিটি কর্পোরেশন, সদর, দক্ষিণ সুরমা ও ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত এই ওয়ার্ডে ২৯১টি ভোটের মধ্যে বই প্রতীকে ২৫৯টি ভোট পেয়েছেন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রওশন জেবিন রুবা।
সংরক্ষিত ২ নং ওয়ার্ড
সিলেটের জেলা পরিষদ নির্বাচনে ২ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ফের বিজয়ী হয়েছেন সুষমা সুলতানা রুহি। তিনি দোয়াত কলম প্রতিকে পেয়েছেন ১৩২ ভোট।
এ ওয়ার্ডে মোট প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তিন জন। বাকি দুইজন হচ্ছেন ফারহানা রহমান ও নাজনীন আক্তার উর্মি। গত মেয়াদেও রুবা সিলেট জেলা পরিষদের সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার সহিত সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।
সংরক্ষিত ৩ নং ওয়ার্ড
সিলেট জেলা পরিষদ নির্বাচনে সংরক্ষিত ওয়ার্ড সদস্য হিসেবে ৩নং ওয়ার্ডে (বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ) দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন হাসিনা বেগম। বিজয়ের পর তিনি তাঁর ওয়ার্ডের ভোটারগণ ও সর্বসাধাণের প্রতি অশেষ ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানান।
উল্লেখ্য, সিলেট জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন খানের কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন। তবে জেলা পরিষদের সংরক্ষিত ৫টি ওয়ার্ডে ১৭ জন নারী এবং ১৩টি সাধারণ ওয়ার্ডে ৪৭ প্রার্থী মিলে দু’টি পদে মোট ৬৪ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
আ,লীগের বিদ্রোহী মুকুটের মুকুট মাথা থেকে নামাতে পারল না আ,লীগের প্রার্থী রুমেন
সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আ,লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মুকুটের মাথা থেকে বিজয়ের মুকুট নামাতে পারল না আ,লীগের মনোনীত প্রার্থী খায়রুল কবির রুমেন।
মুকুট জেলা আ,লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা আ,লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি নুরুল হুদা মুকুট(মোটরসাইকেল)প্রতীকে ৮ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছে। মুকুট ভোট পেয়েছেন ৬১২টি।
অপর দিকে,প্রতিদন্ধী আ, লীগের দলীয় মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী জেলা আ,লীগের সহসভাপতি খায়রুল কবির রুমেন(ঘোড়া) প্রতীকে পেয়েছেন ৬০৪ ভোট।
এরপূর্বে সোমবার সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত সুনামগঞ্জের ১২ টি কেন্দ্রের ২৪ টি বুথে
কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। জেলার ১২ টি কেন্দ্রের ভোটার ছিলেন ১২২৯ জন।
নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ২ জন, সাধারণ সদস্য পদে ৩৩ এবং সংরক্ষিত সদস্য পদে ৩৩ জন নির্বাচনে প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করেছেন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা কায্যালয় থেকে জানাযায়,সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় মোটরসাইকেল পেয়েছে ৭৯ ভোট এবং ঘোড়া পেয়েছে ৫৩ ভোট। তাহিরপুর উপজেলায় মোটরসাইকেল পেয়েছে ৫১ ভোট এবং ঘোড়া পেয়েছে ৪৩ ভোট। ধর্মপাশা উপজেলায় মোটরসাইকেল পেয়েছে ৪১ ভোট এবং ঘোড়া পেয়েছে ৪০ ভোট। জামালগঞ্জ উপজেলায় মোটরসাইকেল পেয়েছে ৪৪ ভোট এবং ঘোড়া পেয়েছে ৩৭ ভোট। মধ্যনগর উপজেলায় মোটরসাইকেল পেয়েছে ৩৭ ভোট এবং ঘোড়া পেয়েছে ১৫ ভোট। দোয়ারাবাজার উপজেলায় মোটরসাইকেল পেয়েছে ৪০ ভোট এবং ঘোড়া পেয়েছে ৭৯ ভোট। বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় মোটরসাইকেল পেয়েছে ৪৩ ভোট এবং ঘোড়া পেয়েছে ২৫ ভোট। দিরাই উপজেলায় মোটরসাইকেল পেয়েছে ৪৮ ভোট এবং ঘোড়া পেয়েছে ৮৪ ভোট। শাল্লা উপজেলায় মোটরসাইকেল পেয়েছে ২৫ ভোট এবং ঘোড়া পেয়েছে ২৮ ভোট। শান্তিগঞ্জ উপজেলায় মোটরসাইকেল পেয়েছে ৫৫ ভোট এবং ঘোড়া পেয়েছে ৫১ ভোট। ছাতক উপজেলায় মোটরসাইকেল পেয়েছে ৬০ ভোট এবং ঘোড়া পেয়েছে ১২০ ভোট। জগন্নাথপুর উপজেলায় মোটরসাইকেল পেয়েছে ৮৯ ভোট এবং ঘোড়া পেয়েছে ২৯ ভোট।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেছেন,জেলায় ১২টি ভোট কেন্দ্রে ইভিএম এ শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণ হচ্ছে। কোন কেন্দ্রেই অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। নির্বাচনে কর্মকর্তাদের সঙ্গে আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে সহযোগিতা করছে র্যাব,বিজিবি।
বদরুল ইসলাম মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত
মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের ২ নং ওয়ার্ডে (জুড়ী উপজেলা) সদস্য পদে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন জুড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ বদরুল ইসলাম। সোমবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত ইভিএমে ভোট গ্রহণ করা হয়। ভোট গ্রহণ শেষে বেলা আড়াইটায় ফলাফল ঘোষণা করেন প্রিজাইডিং অফিসার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন।
ঘোষিত ফলাফলে ৫৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ বদরুল ইসলাম। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জুড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম পেয়েছেন ১৯ ভোট। তিন ভোট পেয়েছেন অপর প্রার্থী আব্দুল হেকিম ইমন।
জানা যায়, উপজেলার মোট ৮০ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
এক প্রতিক্রিয়ায় জেলা পরিষদের পুনরায় নির্বাচিত সদস্য মোঃ বদরুল ইসলাম বলেন, আজকের এ বিজয়ে আমি উপজেলার সকল ভোটারকে শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানাই। অতীতেও জনগণের কল্যাণে কাজ করেছি। ভবিষ্যতেও জনগণের কল্যাণে সবসময় পাশে থাকব।
এছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হলেন যারা
সারাদেশে আজ জেলা পরিষদের নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ ও গণনা শেষে বিকেলে রিটার্নিং কর্মকর্তাগণ বেসরকারীভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।
বাসসের জেলা সংবাদদাতারা জানান-
গাজীপুর: জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মোতাহার হোসেন মোল্লা (মোটরসাইকেল) ৩৬০ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী (আনারস মার্কা) ২৬৭ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছে।
খুলনা: জেলা পরিষদ নির্বাচনে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হারুনুর রশীদ পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।
নীলফামারী: জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মমতাজুল হক। তিনি আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৫৩৪ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৩১৮ ভোট।
নড়াইল: জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের সমর্থীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোস (আনারস) বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ২৬০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সৈয়দ ফয়জুল আমির লিটু(মোটরসাইকেল) পেয়েছেন ১৭৮ ভোট।
দিনাজপুর: জেলা পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জেলা জাতীয় পাটির সভাপতি দেলোয়ার হোসেন নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১১৬২ ভোট তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী তৈয়ব উদ্দিন চৌধুরী পেয়েছেন ২২৬ ভোট।
নাটোর: জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট সাজেদুর রহমান খান পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। সাজেদুর রহমান খান চশমা প্রতীকে ৫৪৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির ড. মো. নুরুন্নবী মৃধা ঘোড়া প্রতীকে ২৪৭ ভোট পেয়েছেন।
নরসিংদী: জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৬২২ ভোট পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মনির হোসেন ভূইয়া (আনারস) চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও জেলা পরিষদ প্রশাসক আব্দুল মতিন ভূইয়া (কাপপিরিচ) পেয়েছেন ৩৫০ ভোট।
মেহেরপুর: জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম (কাপপিরিচ) প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ৬২ ভোট বেশী পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছে। তার প্রাপ্ত মোট ভোট ১৭৭। একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হাজী গোলাম রসুল পেয়েছেন ১১৫ ভোট।
জয়পুরহাট: নির্বাচনে জেলা আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা জয়পুরহাট সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ খাজা সামছুল আলম (আনারস) ৩৯১ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা জাসদের সভাপতি আবুল খায়ের মো. সাখাওয়াত হোসেন (তালগাছ) পেয়েছেন ৯৬ ভোট।
যশোর: জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সাইফুজ্জামান পিকুল (ঘোড়া) ৯৫৮ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী মারুফ হোসেন কাজল (আনারস) পেয়েছেন ৩৪৪ ভোট।
হবিগঞ্জ: জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ও বর্তমান প্রশাসক ডা. মুশফিক হোসেন চৌধুরী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। ঘোড়া প্রতীক নিয়ে তার প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ৯৬১। প্রতিদ্বন্ধী জাতীয় পার্টি নেতা এডভোকেট মোল্লা আবু নঈম মো. শিবলী খায়ের আনারস প্রতীকে পান ৭৭ ভোট।
ঝিনাইদহ: জেলা পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী এম হারুন অর রশিদ আনারস প্রতীকে ৪৭৮ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান কনক কান্তি দাস তার চশমা প্রতীকে পেয়েছেন ৪৬৩ ভোট।
সুনামগঞ্জ: জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৮ ভোটের ব্যবধানে মোটর সাইকেল প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ নুরুল হুদা মুকুট ২য় বারের মতো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৬১২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের সমর্থিত ড. খায়রুল কবির রুমেন পেয়েছেন ৬০৪ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া: জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার। তিনি আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৮২২ ভোট। তার প্রতিদ্বন্ধী স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুল আলম এমএসসি (মোটর সাইকেল) প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫৫৩ ভোট।
পঞ্চগড়: জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন আব্দুল হান্নান শেখ। তিনি চশমা মার্কা নিয়ে ২৮৩ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম আবু তোয়বুর রহমান মোটর সাইকেল মার্কায় পেয়েছেন ২৩১ ভোট।
ময়মনসিংহ: জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী অধ্যাপক ইউসুফ খান পাঠান (আনারস) প্রতীক নিয়ে পূনরায় নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ হাজার ২২১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী মহানগর জাসদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক (চশমা) প্রতীকের প্রার্থী আমিনুল ইসলাম পেয়েছেন ৫৪৫ ভোট ।
সাতক্ষীরা: জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. নজরুল ইসলাম মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে ৬০৮ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দী প্রার্থী খলিলুল্লাহ ঝড়ু চিংড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ৪৪৭ ভোট।
গোপালগঞ্জ: বিনা প্রতিদ্বন্ধীতায় আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী মুন্সী আতিয়ার রহমান জেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।
ফেনী: বিনা প্রতিদ্বন্ধীতায় আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী খায়রুল বশর মজুমদার তপন বিনা প্রতিদ্বন্ধীতায় পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।
লক্ষ্মীপুর: জেলা পরিষদের বর্তমান প্রশাসক ও আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শাহজাহান বিনা প্রতিদ্বন্ধীতায় পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।
মুন্সীগঞ্জ: আওয়ামী লীগের প্রার্থী আলহাজ মো. মহিউদ্দিন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।
সিরাজগঞ্জ: জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্ধীতায় চেয়ারম্যান পদে আব্দুল লতিফ বিশ্বাস নির্বাচিত হয়েছে।