বিজ্ঞপ্তি
মে / ০৪ / ২০২৬
অতিবৃষ্টির পানিতে যখন সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতর বেশিরভাগ বোরোধান পানির নিচে তখন তাহিরপুরের মাটিয়ান হাওর ও শনির হাওরে ধানকাটায় ব্যস্ত কৃষকরা। এবারের বৈরী আবহাওয়ার মাঝেও হাওর দুটোর বোরোধান কেটে তুলছেন কৃষকরা।
এতে খুশী হাওরপাড়ের কৃষকরা। তবে পর্যাপ্ত রোদ না থাকায় ধান শুকানো নিয়ে তারা বেশ চিন্তিত।
স্থানীয়রা জানান,সুনামগঞ্জ জেলার বৃহৎ হাওরগুলোর মধ্যে মাটিয়ান হাওর ও শনির হাওর অন্যতম।হাওর দুটো সীমান্তবর্তী এলাকায়।এবারের অতিবৃষ্টিতে দুটো হাওরের
কিছু এলাকার বোরোধান আগেই নষ্ট হয়ে গেলেও হাওরের বেশিরভাগ বোরোধান কৃষকরা কেটে তুলছেন। চাহিদামতো ধান কাটার মেশিন বা হারভেস্টার না থাকায় কৃষকরা অনেকটা পড়েছেন বেকায়দায়।
মটিয়ান হাওরের বোয়ালমারা পুঠিমারা, আলম খালি,মিশিন বাড়ি এলাকার কৃষকরা
হারভেস্টার ও শ্রমিক সংকটে কৃষকরা কেটে তুলেন। অকাল বন্যা ও তলিয়ে যাওয়ার ভয়ে অনেক কৃষক তাদের কাঁচা ধানও কাটতে বাধ্য হন। হাওরে বোরোধান কাটা এখনও চলছে।
কৃষকরা জানান, ধান কেটে খলায় নিয়ে আসলেও রোদ না উঠায় তারা কষ্টে আছেন।
এর মধ্যে গতকাল রোদের দেখা পাওয়ায় আশার আলো দেখা দেয়। তারা বলেন, কয়েক দিন নিয়মিত রোদের দেখা পেলে ধান পুরোপুরি শুকানো যেত। ধান শুকানোর মেশিন কৃষকদের মাঝে আজও কেবলই স্বপ্ন।
মাটিয়ান হাওর উন্নয়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও হাওর পাড়ের বড়দল গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম বলেন,
বৃষ্টির পানিতে আগেই মাটিয়ান হাওরের নিম্নাঞ্চলের কিছু এলাকার বোরোধান তলিয়ে যায় । বাকি জমির ধান কৃষকরা কেটে তুলেছেন। এখনও কেউ কেউ ধান কাটছেন।কিন্তু রোদ না থাকায় খলায় ধান নষ্ট হচ্ছে। এই হাওরাঞ্চলের কৃষকদের দুঃখ দুর্দশা দুর করতে হলে সকল বিল খনন করতে হবে। হাওরের কিছু এলাকায় ব্লকের বাঁধ দেয়া হচ্ছে। এই ব্লকের বাঁধের মতো স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা গেলে কৃষকরা দুর্দশা থেকে মুক্তি পাবেন। তিনি আগামী দিনে হারভেস্টারের সংখ্যা বৃদ্ধি করার দাবি জানান।