সৈয়দ মহসিন আলীর সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

পুণ্যভূমি ডেস্ক

সেপ্টেম্বর / ১৪ / ২০২২

সৈয়দ মহসিন আলী
ad-spce

সাবেক সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মহসিন আলীর ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৫ সালের এই দিনে তিনি সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী সৈয়দ মহসিন আলীর বাবার সৈয়দ শরাফ আলী একজন ব্যবসায়ী ছিলেন। মা সৈয়দা আছকিরুনন্নেছা খানম একজন গৃহিণী। কলকাতার আলীপুরে ছিলো তাদের বিশাল বাড়ি। সেই বাড়িতে ১৯৪৮ সালের ১২ ডিসেম্বর মহসীন আলী জন্মগ্রহণ করেন। ৫ ভাইদের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার বড়।

সৈয়দ মহসিন আলীর শিক্ষা জীবন শুরু হয় কলকাতায়। তিনি কলকাতার সেন্টজেবিয়ার্স স্কুলে জুনিয়র কেমব্রিজ ও সিনিয়র কেমব্রিজ পাস করেন। পরবর্তীকালে আবার বাংলাদেশে এসে বাংলা মাধ্যমে কিছুদিন পড়াশুনা করেন। তবে আবারো তিনি কলকাতা থেকে ম্যানেজমেন্টে ডিপ্লোমা করেন।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে তিনি সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। দেশমাতৃকার প্রতি তার মমত্ববোধের কারণে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ঝাঁপিয়ে পড়েন মুক্তিযুদ্ধে। যুদ্ধ চলাকালে গুলিবিদ্ধও হয়েছিলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি সিলেট বিভাগে সিএনসি স্পেশাল ব্যাচের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কাজ করেছেন যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশ গঠনেও। তিনি সামাজিক ও রাজনৈতিক কাজে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর অত্যন্ত স্নেহভাজন সৈয়দ মহসিন আলী মৌলভীবাজার মহকুমা রেডক্রিসেন্ট সোসাইটিতে ১৯৭৬ থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীকালে জেলা আওয়ামী লীগেরও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

স্বাধীনতাত্তোরকালে তিনিই একমাত্র নেতা যিনি পৌরসভায় পরপর ৩ বার বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৯২ সালে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় তাকে শ্রেষ্ঠ পৌরসভার চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করে।

২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব লাভ করেন। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি মন্ত্রণালয়ের প্রকল্পগুলোকে ঢেলে সাজিয়েছেন।

সেখানে এখন বহুমুখী বাস্তবসম্মত প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। সমাজসেবায় অবদান রাখার জন্য তিনি ভারতের নেহেরু সাম্য সম্মাননা ও আচার্য দীনেশ চন্দ্র সেন সম্মাননা স্বর্ণপদক লাভ করেন। সাহিত্য ও সাংবাদিকতা ছিলো তার পছন্দের বিষয়। অবসরে তিনি বই পড়তে ভালবাসতেন। কবি-লেখকদের সঙ্গে নিয়মিত আড্ডা দিতেন। তিনি এক সময় বাংলাদেশ টাইমসের প্রকাশনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

গান তার প্রিয় একটি বিষয়। ধ্রুপদী, রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলগীতি থেকে শুরু করে প্রায় সবধরনের গানই তার মুখস্থ ছিলো। তার স্মৃতিতে প্রায় ৫ হাজার গানের সংগ্রহ ছিলো। সমাজকল্যাণে তার প্রিয় সংগীত ছিলো ‘মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য’। সমাজকল্যাণে তিনি এভাবেই তার নিজের জীবনকে উৎসর্গ করে গেছেন।

মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। একজন সৎ রাজনীতিবিদ হিসেবে নিজের সম্পদ বিক্রি করে রাজনীতি করেছেন বলে তার সুখ্যাতি ছিলো।

মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন ২০১৭ সালে।

ad-spce

মৌলভীবাজার

ad-spce

সর্বশেষ আপডেট

দেশের সকল হাসপাতাল দালালমুক্ত করতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে ----------- স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জুলাই / ০৬ / ২০২২
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

গোলাপগঞ্জে ভাদেশ্বর কলেজে এসএসসি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

জুলাই / ০৬ / ২০২২
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

সিলেটসহ ৮ জেলায় চলছে ভয়াবহ লোডশেডিং

জুলাই / ০৬ / ২০২২
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

উদ্ধার অভিযানে বিদেশি সহায়তা প্রত্যাখ্যান করছে নেপাল

জুলাই / ০৬ / ২০২২
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

নেপালের ঢলের পানি আসতে পারে বাংলাদেশেও

জুলাই / ০৬ / ২০২২
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

৬২ বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন ব্যাহত, লোডশেডিংয়ে নাকাল ঢাকাসহ সারাদেশ

জুলাই / ০৬ / ২০২২
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

স্ত্রীসহ বিদেশে পালানোর চেষ্টায় শেখ পরশ, দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

জুলাই / ০৬ / ২০২২
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

ভারী বৃষ্টির কবলে সৌদি আরবের মক্কা, ‘রেড এল্যার্ট’ জারি

জুলাই / ০৬ / ২০২২
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

নেপালে হঠাৎ কেন এই ভয়াবহ বন্যা, জানা গেল মূল কারণ

জুলাই / ০৬ / ২০২২
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

ভয়াবহ বন্যায় তছনছ নেপালের রসুয়া, নিহত বেড়ে ৯৫, নিখোঁজ কয়েকশ পর্যটক

জুলাই / ০৬ / ২০২২
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

ad-spce