দেশে ফেরার অনুমতি আছে কি না, প্রশ্ন তসলিমা নাসরিনের

পুণ্যভূমি ডেস্ক

মার্চ / ২৭ / ২০২৬

দেশে ফেরার অনুমতি আছে কি না, প্রশ্ন তসলিমা নাসরিনের
ad-spce

বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন আবারও বাংলাদেশে ফেরার অধিকার নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব হয়েছেন। সম্প্রতি নির্মাতা ও সাবেক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার গুঞ্জন নিয়ে যখন দেশজুড়ে আলোচনা চলছে, ঠিক সেই মুহূর্তেই নিজের নির্বাসিত জীবন ও দেশে ফেরার অনিশ্চয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।


শুক্রবার (২৭ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তসলিমা নাসরিন লেখেন, ‘বাংলাদেশের লোকেরা ব্যস্ত মোস্তফা ফারুকীর দেশত্যাগে অনুমতি না থাকা নিয়ে। হোয়াট এবাউট আমার দেশে ফেরা? অনুমতি আছে নাকি নেই?’ 


সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একটি নথিকে কেন্দ্র করে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি আলোচনায় আসে। ওই নথিতে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুদান এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তোলা হয়েছে।


একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদনের সূত্র ধরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ খালেদ হাসানের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে। আদেশের একটি অংশে ফারুকীসহ অভিযুক্তদের প্রয়োজনে জিজ্ঞাসাবাদ এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা উল্লেখ রয়েছে।


যদিও এই নথির সত্যতা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি এবং সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।


দেশজুড়ে যখন একজন প্রভাবশালী ব্যক্তির দেশের বাইরে যাওয়ার পথ রুদ্ধ হওয়া নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে, ঠিক তখনই তসলিমা নাসরিন গত তিন দশক ধরে তার নিজের দেশে ফিরতে না পারার প্রসঙ্গ মনে করিয়ে দিলেন। তসলিমার এই আকুতি নতুন নয়; ১৯৯৪ সাল থেকে তিনি বিদেশের মাটিতে নির্বাসিত জীবন যাপন করছেন।


তসলিমা নাসরিনের নির্বাসনের প্রেক্ষাপট দীর্ঘদিনের। ১৯৯৪ সালের মে মাসে কলকাতার ‘দ্য স্টেটসম্যান’ পত্রিকায় দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ধর্মীয় আইন ও কুরআন সংশ্লিষ্ট কিছু মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। তৎকালীন সময়ে ইসলামপন্থীরা তার ফাঁসির দাবিতে রাজপথে নামে এবং তাকে ‘সাম্রাজ্যবাদী শক্তির দালাল’ হিসেবে অভিহিত করে। এমনকি সিলেটে এক সমাবেশে তার মাথার দামও ঘোষণা করা হয়েছিল।


তৎকালীন সরকার জনগণের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগে তসলিমার বিরুদ্ধে মামলা করে এবং জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। দীর্ঘ দুই মাস আত্মগোপনে থাকার পর উচ্চ আদালতের নির্দেশে জামিন পেয়ে ১৯৯৪ সালের আগস্ট মাসে তিনি বাংলাদেশ ত্যাগ করতে বাধ্য হন।

ad-spce

আন্তর্জাতিক

ad-spce

সর্বশেষ আপডেট

দেশে ফেরার অনুমতি আছে কি না, প্রশ্ন তসলিমা নাসরিনের

জুলাই / ০৬ / ২০২২
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

ট্রাম্পের ইরানে হামলা ১০ দিন বিলম্বের ঘোষণায় কমল তেলের দাম

জুলাই / ০৬ / ২০২২
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

খাগড়াছড়িতে বাজারে ভয়াবহ আগুন, পুড়ে ছাই ৩৫টির বেশি দোকান

জুলাই / ০৬ / ২০২২
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

আবারও আসছে টানা ৫ দিনের ছুটির সুযোগ

জুলাই / ০৬ / ২০২২
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

সিলেট সীমান্তজুড়ে যাদের ডবল নেটওয়ার্ক

জুলাই / ০৬ / ২০২২
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

জানুন বিশ্ব নাট্য দিবস কি এবং কেনো

জুলাই / ০৬ / ২০২২
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

দুর্দশায় ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী, সেনাপ্রধানের জরুরি সতর্কবার্তা

জুলাই / ০৬ / ২০২২
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

কুমিল্লায় সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৪ জনসহ নিহত ৫

জুলাই / ০৬ / ২০২২
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

১০ হাজার টন ডিজেল নিয়ে দেশে এলো আরও একটি জাহাজ

জুলাই / ০৬ / ২০২২
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

ক্রীড়াঙ্গনকে পেশাদার রূপ দিতে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

জুলাই / ০৬ / ২০২২
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

ad-spce