সৈয়দপুরে প্লাজা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উচ্চ আদালত
কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত মাত্রাতিরিক্ত পলিথিনে মোড়ানো পোস্টার টাঙ্গিয়ে
প্রচারণা করায় প্রাকৃতিক পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে এবং শহরের সৌন্দর্য নষ্ট
হচ্ছে।
উল্লেখিত আগামী ২৬
নভেম্বর সৈয়দপুর প্লাজার ব্যাবসায়ীক সমতির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে
সৈয়দপুর প্লাজা জুড়ে মাত্রাতিরিক্ত পলিথিনে মোড়ানো পোস্টার ফলে
সৈয়দপুর তথা প্রকৃতির পরিবেশ বিনষ্টে হচ্ছে।
সচেতন
মহল বলছেন সম্প্রতি সৈয়দপুর প্লাজায় ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনকে
কেন্দ্র করে সকল প্রার্থী (শতাধিক) তাদের হাজার হাজার নির্বাচনী পোস্টার
উচ্চ আদালত কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন দ্বারা মুড়িয়ে সম্পূর্ণ প্লাজা
জুড়ে ছাতার মত টাঙ্গিয়ে দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন শেষে উক্ত পলিথিন
সৈয়দপুরের রাস্তাঘাট, নালা, নর্দমা ও আবাদি জমিতে অথবা ডাস্টবিনে সঞ্চিত
হয়ে বিভিন্ন ভূমিতে নিক্ষিপ্ত হয়ে শত বছর ধরে পরিবেশ দূষণসহ নালা নর্দমার
নিষ্কাশন ব্যবস্থাকে ব্যাহত করবে যা পরিবেশ প্রতিবেশ ও আমাদের পরবর্তী
প্রজন্মের স্বার্থে রেখে যাওয়া ধরিত্রীর জন্য মারাত্মক উদ্বেগের কারণ ।
ইতিমধ্যে
নদী, পুকুর ও সমুদ্রের মাছে পলিথিন পার্টিকেলের উপস্থিতি ও মাতৃদুগ্ধে
উক্ত পার্টিকেলের আবিস্কার মানবজাতিকে চরম হুমকির মুখে এনে দাঁড়িয়ে।
এমতাবস্থায়
সচেতন মহল বলেন, দেশ, জাতি, ধরিত্রী তথা আমাদের আগত প্রজন্মের স্বার্থে
বিষয়টিকে অত্যধিক গুরুত্ব প্রদানপূর্বক দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে উক্ত পলিথিন
অপসারণ বা নির্বাচন পরবর্তী সময়ে স্ব স্ব প্রার্থীর দায়িত্বে প্রশাসনের
উপস্থিতিতে উক্ত পলিথিন পরিবেশ সম্মতভাবে বিনষ্ট বা ধ্বংস করার আইনী
ব্যবস্থা গ্রহণে করতে।
নীলফামারীর জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর সহকারী পরিচালক কমল কুমার বর্মন বলেন এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ আমি পাইনি।