পুণ্যভূমি ডেস্ক
মার্চ / ২৭ / ২০২৬
চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশিত দুটি খবর ইরান যুদ্ধে নতুন মোড়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে। প্রথমটি ইরানের পক্ষ নিয়ে হুতি বিদ্রোহীদের যুদ্ধে যোগ দেওয়ার ঘোষণা এবং দ্বিতীয়টি মধ্যপ্রাচ্যে আরও ১০ হাজার মার্কিন সৈন্য মোতায়েনের প্রস্তুতি।
এ দুটি খবরই এমন সময়ে সামনে এসেছে, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ বন্ধে আলোচনার কথা বলছেন। ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোতে সম্ভাব্য হামলার সময়সীমা ১০ দিন পিছিয়েও দিয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, আলোচনার কথা বলে ট্রাম্প মূলত সেনা মোতায়েনের জন্য যথেষ্ট সময় অর্জন করতে চাইছেন। এই প্রস্তুতি সম্পন্ন হলে তিনি খার্গ দ্বীপ দখলের অনুমতি দিতে পারেন।
আপাতদৃষ্টিতে খার্গ দ্বীপ দখলে ট্রাম্পের বাসনা প্রকট হয়েছে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার পর। ২২ মাইল প্রশস্ত এই জলপথ দিয়ে বিশ্বের মোট জ্বালানি সরবরাহের ২০ শতাংশ পরিবহন করা হয়। অপরদিকে ইরানের অপরিশোধিত তেল রপ্তানির মূল কেন্দ্র খার্গ দ্বীপটিও হরমুজ থেকে প্রায় ৩০০ মাইল দূরে। ধারণা করা হচ্ছে, হরমুজ বন্ধ করে তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণে তেহরানের চেষ্টা রুখে দিতে খার্গ দ্বীপ দখল করতে চান ট্রাম্প। যেটি তিনি কয়েক দশক আগে থেকে দখলে নেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছেন।
অর্থ্যাৎ, আকাশ পথে প্রায় হারতে বসা যুদ্ধে জয় নিশ্চিত করতে; ট্রাম্প এখন স্থল অভিযানের মাধ্যমে সম্ভবত তাঁর কয়েক দশক আগের ভাবনা বাস্তবায়নকে বিকল্প কৌশল হিসেবে নির্ধারণ করতে যাচ্ছেন।