পুণ্যভূমি ডেস্ক
অক্টোবর / ২৮ / ২০২২
সুস্থ, সভ্য, সুশীল সমাজ গঠনে হাইড্রোলিক হর্ন বন্ধে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও দেশের স্বার্থে হাইড্রোলিক হর্ন বন্ধে আইন ও নিয়ম মানতে হবে। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্পের আওতায় ২৭ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সিলেটে জেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে পবিবেশ অধিদপ্তর আয়োজিত পেশাজীবী, পরিবহন চালক ও শ্রমিকদের সচেতনতামূলক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন একথা বলেন।
বিভাগীয় কমিশনার ড. মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত ডিআইজি নাবিলা জাফরিন রীনা, জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান, বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ এমরান হোসেন, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন শব্দ দূষণের কারণে শারীরিক ও মানসিক সমস্যাসহ বিভিন্ন ধরণের সমস্যার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা প্রদান করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে প্রতিবন্ধীতার দিকে ঠেলে না দেওয়ার জন্য শব্দ ব্যবহারের ক্ষেত্রে যানবাহনের চালকসহ সবাইকে এখনই শব্দের অনুমোদিত মাত্রা মেনে চলার আহবান জানান।
মূল প্রবন্ধ ও প্রকল্প সংশ্লিষ্ট তথ্যচিত্র উপস্থাপন করেন এ প্রকল্পের টিম লিডার অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জমান মজুমদার। এতে মানুষের ওপর শব্দ দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে বিশেষ করে গর্ভবতী মা ও শিশুদের নিয়ে তথ্যনিষ্ঠ উপাত্ত তুলে ধরা হয়। ট্রাফিক পুলিশদের শ্রবণ স্বাস্থ্যের ওপর পরিচালিত একটি জরিপ কাজের ফলাফলে বলা হয়, দায়িত্ব পালনের সময় তাঁরা ঘূর্ণিরোগ, মাথা বনবন করা, বমি ভাব ও ক্লান্তির সমস্যা ভোগেন এবং মোবাইলে কথা শুনতে সমস্যা হয়।
কর্মশালায় শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা ২০০৬ অনুযায়ী কি কি দণ্ড ও জরিমানা হবে এবং ভুক্তভোগীরা থানায় টেলিফোন, মৌখিক, লিখিত অভিযোগ কীভাবে করতে পারবেন সে বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্পে সামগ্রিক উদ্দেশ্য, তথ্য সংগ্রহ করা এবং শব্দ দূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা-২০০৬' বাস্তবায়নে সহায়তা করতে কার্যকর সুপারিশ প্রণয়ন বিষয়েও বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।